গেল সপ্তাহের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদে পানিবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে চূড়ান্ত বিপৎসীমায় পৌঁছেছে হ্রদের পানির স্তর। বাঁধের ১৬টি জলকপাট রোববার (২৫ আগস্ট) রাত থেকে আবারও ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেয়া হয়েছে, যা সোমবার (২৬ আগস্ট) পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।
কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাটের মধ্যে সবকটি ফের খুলে দেয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তথ্যমতে, কাপ্তাই হ্রদের পানির ধারণক্ষমতা ১০৯ এমএসএল। সোমবার সকালে পানির স্তর ১০৮ দশমিক ৮৪ এমএসএল। এতে রাঙ্গামাটি জেলার কয়েকটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবস্থাপক এটিএম আব্দুজ্জাহের জানান, হ্রদে পানিবৃদ্ধি পাওয়ায় রোববার সকালে বাঁধের ১৬টি গেট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেয়া হয়। ৬ ঘণ্টা পানি ছাড়ার পর দুপুর ২টায় বন্ধ রাখা হয়। এর ৫ ঘণ্টা বিরতি দিয়ে সন্ধ্যা ৭টা থেকে পুনরায় ৬ ইঞ্চি করে ১৬টি জলকপাট খুলে দেয়া হয়; যা এখনও চলমান আছে।
তিনি আরও বলেন, ‘পানির স্তর স্বাভাবিক পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত গেট খোলা থাকতে পারে। বাঁধের ১৬টি জলকপাট দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ৯ হাজার কিউসেক পানি হ্রদ হতে নিষ্কাশন হচ্ছে।’
এদিকে হ্রদের পানি বাড়ায় রাঙ্গামাটি শহরের আসামবস্তি, শান্তিনগর, রির্জাভ বাজারসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বাড়িতে পানি ঢুকেছে। বাসায়, সড়কে পানি ওঠায় স্থানীয়রা পড়েছেন দুর্ভোগে। দ্রুত কাপ্তাই হ্রদে পানি কমিয়ে দেয়ার দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
